বগুড়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ও উপসর্গে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় চার জন ও উপসর্গে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ১৭২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৮ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।
করোনায় মৃতরা হলেন বগুড়া সদরের আবদুল জলিল (৮৫), শিবগঞ্জের মেহেরুন্নেসা (৬২) ও আবু বক্কর (৭৯) এবং জয়পুরহাটের রাবেয়া খাতুন (৭৫)। এদের মধ্যে রাবেয়া খাতুন সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে, মেহেরুন্নেছা ও আবু বক্কর টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি সেন্টারে এবং আবদুল জলিল নিজ বাড়িতে মারা গেছেন। করোনার উপসর্গ নিয়ে একই দিনে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে পাঁচ জন ও শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন তিন জন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বগুড়ার দুটি হাসপাতালে ৫৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৭২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ১ শতাংশ। একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৯৪ জন। আক্রান্ত ১৭২ জনের মধ্যে বগুড়া সদরের ১০৬ জন, শেরপুরের ২০ জন, শাজাহানপুরের ১৩ জন, আদমদীঘির ১১ জন, শিবগঞ্জের আট জন, দুপচাঁচিয়ার চার জন, কাহালুর তিন জন, গাবতলী, সারিয়াকান্দি ও ধুনটের দুই জন করে এবং সোনাতলার একজন।
ডেপুটি সিভিল সার্জন বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ২৮২টি নমুনা পরীক্ষায় ৬৪ জনের, জিন এক্সপার্ট মেশিনে ১৭ নমুনা পরীক্ষায় নয় জনের, অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ২২১টি নমুনায় ৭২ জনের এবং টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৫৩ নমুনা পরীক্ষায় ২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হলেন ১৫ হাজার ২৫৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ২৫০ জন। নতুন করে চার জনের মৃত্যু হওয়ায় মৃতের সংখ্যা ৪৪৬ জন। বর্তমানে হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫৬১ জন।
ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, উপসর্গে মৃতদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে তারা করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কি না। এর আগের দিন জেলায় ৬১৫টি নমুনা পরীক্ষায় ১৫৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।









