বগুড়ার সোনাতলা ও গাবতলী উপজেলায় ইউপি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সোনাতলায় রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। ইটের আঘাতে ভোট কেন্দ্রের এক পোলিং অফিসার ও এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণার পর এসব ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের নুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ সময় ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যপ্রার্থী তালা প্রতীকের শুকুর আলী ৬৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। টিউবওয়েল মার্কার মুকুল হোসেন পান ৬৩২ ভোট। কেন্দ্রের বাইরে দুই প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ভোট কেন্দ্র ঘেরাও করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। ইটের আঘাতে ওই কেন্দ্রের পোলিং অফিসার মোশারফ হোসেন আহত হন। প্রিসাইডিং অফিসার শফিউল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সোনাতলা থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৯ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ছয় রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এদিকে পুলিশের রাবার বুলেটের আঘাতে বারোঘড়িয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সাব্বির হোসেন (১৫) আহত হয়। তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে সোমবার রাত ৮টার দিকে গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষণার পর দক্ষিণ সাবেকপাড়া গ্রামে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এ সময়
দূর্গা মন্দিরের দরজা ভাংচুর ও তিনটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। পরাজিত সদস্য প্রার্থী উজ্জ্বল কুমার অভিযোগ করেন, নির্বাচিত সদস্য জহুরুল ইসলামের লোকজন এ হামলা চালিয়েছেন। তবে জহুরুল ইসলাম অভিযোগটি অস্বীকার করেন।
গাবতলী থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









