প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণায় কারাভোগের পর এবার রাজশাহীতে নির্বাচন কমিশনার সেজে প্রতারণার দায়ে এক আইটি বিশেষজ্ঞকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) রাজশাহী ডিবি পুলিশের একটি টিম কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে প্রতারক গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে আসামিকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সদরদফতরে আনা হয়। আসামি কক্সবাজারের মহেশখালীর পুটিবিলা এলাকার কবির আহামদের ছেলে।
শনিবার দুপুর ১টায় আরএমপির সদরদফতরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান পুলিশ কমিশনার আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। এই প্রতারক পেশায় একজন আইটি বিশেষজ্ঞ। ডিগ্রি কমপ্লিট করে ঢাকায় একটি আইটি ফার্মে চাকরি করতো। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণায় ১৩ মাস জেল খেটেছে। জেল থেকে বেরিয়েই সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়া জনপ্রতিনিধিদের টার্গেট করে।
কমিশনার আনিসুর রহমান জানান, আসন্ন রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখেও এই প্রতারক প্রতারণার ফাঁদ পাতে। নির্বাচন কমিশনার সেজে গত ৮ জুন ২৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আরমান আলীকে (৫৫) কোল দেয়। এরপর ওই কাউন্সিলর প্রার্থীর কাছে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের হুমকি দেয়। একইদিন বোয়ালিয়া থানার দুইটি পৃথক জিডি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাইবার টিমের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় আরও তিনটি প্রতারণার মামলা আছে। গ্রেফতারের পর আদালতে তোলা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
এর আগে ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপিএস ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া পরিচয় দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১১ জুলাই পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছিল। এরপর কয়েক দফা রিমান্ড শেষে ১৩ মাস জেল খাটেন।









