রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৬০ হাজার ২৯০ ভোট। তার বাকি তিন প্রতিদ্বন্দ্বী মিলে ভোট পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৬৮টি।
এর মধ্যে ১৩ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকের মুরশিদ আলম ফারুকী। যদিও গত ১২ জুন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ও দলীয় প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় দলটি সব সিটিতে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিল। এরপর মুরশিদ আলমও রাজশাহী সিটি নির্বাচনের ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় নির্বাচনে তার প্রতীক ছিল। আর ভোট বর্জন করা এই প্রার্থী রাজশাহীতে দ্বিতীয় হয়েছেন। যদিও ভোটের হিসেবে তা খুবই নগণ্য।
এ ছাড়া জাকের পার্টি মনোনীত গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী লতিফ আনোয়ার ১১ হাজার ৭১৩ ও জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম স্বপন পেয়েছেন ১০ হাজার ২৭২ ভোট। রাজশাহীতে মোট ৫২ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পাওয়ায় এই তিন প্রার্থীই জামানত হারাচ্ছেন।
বুধবার (২১ জুন) বিকাল থেকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়াম থেকে এ ফল ঘোষণা করেছেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন।
বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা শেষে বিজয়ী মেয়রকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই এটা স্বাভাবিক। সেটা মেনে নিতে হবে। নির্বাচনে সহযোগিতার জন্য প্রার্থী, ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।









