পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে পালানো হত্যা মামলার আসামির ১৪ দিনেও হদিস পায়নি। তার নাম সেতু (২৪)।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি সেতু হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় পালিয়ে যায়। ওই সময় সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফা, উপসহকারী পরিদর্শক কামাল হোসেন ও কনস্টেবল রশিদ ও কামালসহ ৪ পুলিশ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।
সদর উপজেলার কল্যানী গ্রামে লাউ গাছের পাতা খাওয়া নিয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে আবু সাঈদ গং-এর সঙ্গে একই এলাকার ভাটা শ্রমিক আমিনুল ইসলামের সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে ভাটা শ্রমিকের ছেলে সোহেলরানাসহ বেশ ক’জনকে বেধড়ক পেটায় প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় আবু সাঈদ ও তার ছেলে সেতু আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। সোহেলরানাকে পরে বগুড়ায় পাঠানো হয়। পরদিন সকালে সোহেলরানা মারা যান।
এদিকে, তার চাচা মোকাদ্দেস আলী বাদী হয়ে সেতু ও সাঈদসহ ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে রাতেই মামলা করেন। সোহেলরানা মারা যাওয়ার খবর শুনে সেতু হাসপাতাল থেকে সটকে পড়েন। এ ঘটনার পর পুলিশের বিরুদ্ধে আসামি ভাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন নিহতের স্বজনরা। এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা ৬ মার্চ রবিবার দুপুর ডিবি অফিসে জানান, পালিয়ে যাওয়া সেই আসামিকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
/এসটি/








