ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। সেদিন আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছিল বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা। জুলাইয়ের আন্দোলনে অসংখ্য হতাহতের ঘটনা ঘটে। আর এসব হতাহতের ঘটনার স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রঙতুলি দিয়ে নওগাঁ শহরের বিভিন্ন স্থাপনার দেয়ালে ছবি, গ্রাফিতি ও লেখনিতে তুলে ধরে ছাত্র-জনতা।
সম্প্রতি ‘জয় বাংলা’কে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
কিন্তু হঠাৎ করে গত দুই দিন থেকে নওগাঁ শহরের কেডির মোড় ও মুক্তির মোড়সহ বিভিন্ন মোড়ের দেয়ালে যেখানে ছাত্রদের গ্রাফিতি অঙ্কন করা ছিল সেখানে ‘জয় বাংলা’ লেখা হয়েছে। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এই স্লোগানটি লিখে রেখে যায়। এরপর ফেসবুকে তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ‘জয় বাংলা’ লেখাটি স্প্রে পেইন্ট ব্যবহার করে মুছে দেয় নওগাঁ জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও জিয়া সাইবার ফোর্স। এ সময় নওগাঁ জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. রুহুল আমিন মুক্তার, জিয়া সাইবার ফোর্স নওগাঁ জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. এমরান হোসেন, সদস্যসচিব সামিউল ইসলাম পারভেজ, শ্রমিক দল নওগাঁ সদর থানার সভাপতি আরিফুল হক রানাসহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও জিয়া সাইবার ফোর্সের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নওগাঁ জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. রুহুল আমিন মুক্তার বলেন, ‘ছাত্র-জনতার গ্রাফিতির ওপর রাতের অন্ধকারে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ “জয় বাংলা” লিখেছে। “জয় বাংলা” যারা কায়েম করার চেষ্টা করছে তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ আর কখনোই বাংলার মাটিতে দাঁড়াতে পারবে না। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছর বাংলাদেশকে গুজব রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। উন্নয়নের নামে তারা হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকার পতনের পর ছাত্রলীগের কাঁধে ভর করে নতুন নতুন ষড়যন্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। বাংলার মাটিতে তা কখনও বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না।’








