নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার চক গোপাই গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে সদর উপজেলার হাসাইগাড়ী ইউনিয়নের চক গোপাই গ্রামে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিএনপির দাবি, সংঘর্ষে তাদের পাঁ চজন আহত হয়েছেন। জামায়াতের দাবি, তাদের আট জন আহত হন।
আহতদের নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হাসাইগাড়ী ইউনিয়নের কাটখইড় গ্রামের হাসান প্রামাণিক (৩৮), একই এলাকার জাহিদ হাসান (২৫), হাসাইগাড়ী গ্রামের মোস্তাফিজুর (৫৮), চকরামপুর গ্রামের রুস্তম আলী (৪০) এবং ছাত্রদল কর্মী চক গোপাই গ্রামের রাকিব হাসান (২০)।
আহত ছাত্রদল কর্মী রাকিব হাসান বলেন, ‘জামায়াতের কর্মীরা আমাদের গ্রামে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। সেখানে গিয়ে আমরা ছবি তুলছিলাম। এ সময় জামায়াতের লোকজন আমাদের ছবি তুলতে বাধা দিলে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়।’
নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির আবদুর রহিম বলেন, ‘জামায়াতের নেতাকর্মীরা হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচারণা চালান। ওই ইউনিয়নের চক গোপাই গ্রামে নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ শেষে বিকালে আমাদের প্রার্থী আ স ম সায়েম ভাই চক গোপাই একটি বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন। এ সময় বিএনপির সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশে পাইপ নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের আট জন কর্মী আহত হন।’









