বগুড়ার ধুনটে আট বছর বয়সী শিশু মায়েদা আক্তার রজনীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কাজের তিন বছরেও তেমন কোনও অগ্রগতি হয়নি। এতে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাই দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যানার টানিয়েছেন শিশুটির বাবা গাজিউর রহমান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী মায়েদা আক্তার রজনী ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের এলাঙ্গী পশ্চিমপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক গাজিউর রহমানের মেয়ে। শিশুটি ২০২৩ সালের ৪ মে বিকাল ৫টার দিকে বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি।
এ ব্যাপারে শিশুর বাবা ধুনট থানায় জিডি করেন। পরদিন ৫ মে সন্ধ্যায় এলাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে একটি পরিত্যক্ত ঝোপঝাড়ের মধ্য থেকে রজনীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রজনীর বাবা গাজিউর রহমান ধুনট থানায় অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে তিন জনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। এর মধ্যে একজন জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
মামলার তিন বছর অতিবাহিত হলেও বিচারকাজে তেমন অগ্রগতি হয়নি। এতে শিশুটির বাবা গাজিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।
গাজিউর রহমান জানান, মেয়েকে হারানোর পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। কিন্তু আদালতে ঘুরেও বিচার পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্থানে ব্যানার ও পোস্টার টানিয়েছি। এতে যদি প্রশাসনের টনক নড়ে তাহলেই হয়।
এ প্রসঙ্গে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, শিশু রজনী হত্যা মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত এ ঘটনার বিচার করবে।









