ভোট পুনঃগণনার দাবিতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।
এসময় তিনি উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুরের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।
ছবি ভাঙচুরের বিষয়ে ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুরের ঘটনায় আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি। এ ঘটনা পুলিশের মদদেই হয়েছে। যারা ভাঙচুর চালিয়েছে তারা পুলিশের সহযোগিতায় এ ধরনের কাজ করেছে।
শুক্রবার উপজেলা পরিষদ পরিদর্শনের সময় ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ছিলেন ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সফিউজ্জামান ভূঁইয়া, ওসি খায়রুল বাশার ও দলীয় নেতাকর্মীরা।
ছবি ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফজলে রাব্বী আরও বলেন, এত বড় একটি ঘটনা ঘটলো অথচ পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলো পরে। এছাড়া ঘটনার চারদিন পরেও পুলিশ একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেনি।
প্রসঙ্গত, গাইবান্ধার ফুলছড়ি ইউনিয়নের ফুলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট পুনঃগণনার দাবিতে গত ৬ জুন উপজেলা উপজেলা পরিষদের ৭ থেকে ৮টি অফিস ভাঙচুর করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরে গত ৭ জুন এঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম সেলিম পারভেজসহ ৫৭ জন দলীয় নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি করে ফুলছড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন: দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিলেন খুনিরা: পুলিশ
/এমও/এইচকে/আপ-এনএস/








