গাইবান্ধার যমুনা নদীর দুর্গম চর ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের খোলাবাড়ি, খঞ্চাপাড়া, বাগবাড়ি ও গাবগাছি গ্রামে জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। শুক্রবার গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহম্মেদের নেতৃত্বে বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের ১২০ সদস্য এই অভিযানে অংশ নেয়।
পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী (ভোর পাঁচটা থেকে সকাল দশটা) চলা এই বিশেষ অভিযানে ওইসব চর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি সামুরাই, চারটি রামদা ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়। ফুলছড়ি থানার ওসি খায়রুল বাশার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযানে জঙ্গিদের কোনও আস্তানার সন্ধান পাওয়া যায়নি। কাউকে গ্রেফতার করাও সম্ভব হয়নি।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন অভিযান শেষে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় ফুলছড়ি থানায় ফিরে সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘসময় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের কারণে এলাকায় জনসচেতনতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া অভিযানে এলাকার নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্যও সন্ধান করা হয়েছে।
এর আগে, পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি ও গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দুর্গম চরে যৌথবাহিনী জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালায়। ওই দুটি স্থানে অভিযানের সময় ফুলছড়ি উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গিরা আশ্রয় নিয়েছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য আসে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই শুক্রবার এসব চরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
- ইসরায়েলই মুসলিম জিহাদি তৈরি করছে: ব্রিটিশ এমপি
- গুলশান হামলা: বিদেশি সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা
/এমও/








