রংপুরের কাউনিয়ায় পীরের মাজারের খাদেম ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রহমত আলী হত্যা মামলার পরবর্তী শুনানি ২৯ আগস্ট ধার্য করা হয়েছে। হত্যা মামলায় ১২ জেএমবির নামে আদালতে দাখিল করা চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে তা প্রত্যাখান করেন মামলার বাদী নিহত খাদেমের বড় ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রংপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে তিনি চার্জশিট প্রত্যাখান করে পুনরায় তদন্ত করার দাবি জানান। পরে আদালত শুনানি শেষে মামলার পরবর্তী তারিখ ২৯ আগস্ট নির্ধারণ করেন।
এদিকে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া জেএমবির সামরিক কমান্ডার মাসুদ রানাসহ ৩ জঙ্গিকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কড়া পুলিশি পাহারায় কোর্ট হাজত খানায় আনা হলেও তাদের মামলার শুনানিকালে আদালতে হাজির করা হয়নি।
মামলার শুনানিতে বাদী নিহত খাদেমের ছেলে শফিকুল ইসলাম নিজেই আদালতে হাজির হন। তার পক্ষে আইনজীবী আলাউদ্দিন মামলার শুনানিতে বলেন, গত বছর ১০ নভেম্বর রহমত আলীকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বড় ছেলে শফিকুল বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় মামলা দায়ের করার পর আজ পর্যন্ত পুলিশের কোনও কর্মকর্তা বা মামলার তদন্তকারী তার বা পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তারা কাদের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে তা তিনি জানেন না। এমনকি চার্জশিটের কোনও কপিও তাদের দেয়নি পুলিশ।এছাড়া এ ঘটনায় স্থানীয় যারা জড়িত তাদের কাউকেই আসামি হিসেবে চার্জশিটে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সে কারণে তিনি এবং তার পরিবার পুলিশের দাখিল করা চার্জশিট প্রত্যাখান করে পুনরায় তদন্তের জন্য আবেদন করন।
এ ব্যাপারে নিহত খাদেমের বড় ছেলে শফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ মামলাটি নিয়ে লুকোচুরি করেছে। তারা কাকে গ্রেফতার করলো, মামলার তদন্তের অগ্রগতির কী হলো সে ব্যাপারে কোনও তথ্যই তাদের দেয়নি। এমনকি মামলার বাদী হিসেবে তার এবং স্বজনদের কখনোই কোনও জিজ্ঞাসাবাদ বা সাক্ষ্য নেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: মৌলভীবাজারে মনু নদী প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন
/এআর/টিএন/








