কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের জমি দখল ও পুত্রকে সাজানো অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শাহ্ আলম খন্দকার। সোমবার দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নাজিমখান ইউনিয়নের মনিডাকুয়া গ্রামের প্রতিবেশী চাকরিচ্যূত পোস্ট মাস্টার আবুল কালাম আজাদ ও জামালপুরে কর্মরত তথ্য অফিসার নুরুন্নবী খন্দকার বাবলা গং গত ৪ আগস্ট জোর করে জমি দখলে নিয়ে আমনের চারা রোপন করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে ৫ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা সন্তান বেসিক ব্যাংক কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম খন্দকারকে ধরে নিয়ে গিয়ে, বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করে কালাম-নুরুন্নবী গং। পরে তাকে রিভলভার হাতে দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
এ ঘটনার প্রতিবাদ করে থানায় মামলা করতে গেলে, রাজারহাট থানায় পুলিশ মামলা না নিয়ে উল্টা অস্ত্র মামলা দিয়ে ছেলে ফেরদৌস আলম খন্দকারকে আদালতে চালান করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ আলম খন্দকার।
বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী বেগম শাহেরবানু, জামাতা আব্দুল খালেক, নাতি জামাই শাকিল আহমেদ, মেয়ে সেহেলিনা, নাতনী শারমিন সুলতানা সুরভী, প্রতিবেশী মিজানুর রহমান।
/এইচকে/








