বাবা-মার কবরের পাশে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। সোমবার বিকাল ৪টা ৮ মিনিটে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের সাহাবাজ (মাস্টারপাড়া) গ্রামে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম মোজাম্মেল হক এমপি, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। এছাড়াও জানাজায় হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।
জানাজায় ইমামতি করেন মাস্টারপাড়া-মোল্লাপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. জালাল উদ্দিন। এর আগে, জেলা ও সাত উপজেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ মরদেহের কফিনে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
এদিকে, লিটন হত্যার ঘটনায় তিনদিনের শোক ঘোষণা করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এছাড়া মঙ্গলবার সুন্দরগঞ্জে বঙ্গবন্ধু চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।
এর আগে সকাল ১০টার পর ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এমপি লিটনের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিহতের প্রতি শেষ ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া রবিবার (১ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টায় রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে লিটনের প্রথম জানাজা হয়।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হন এমপি লিটন। ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
/বিটি/








