আগুনে ভস্মিভূত গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘কুন্দেরপাড়া গণউন্নয়ন একাডেমি’ পরিদর্শন করেছেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা ও জেলা প্রশাসক প্রশাসক আবদুস সামাদ।
রবিবার দুপুরে তারা পুড়ে যাওয়া বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে শান্তনা দেন। এ সময় জেলা পুলিশ সুপার আশরাফুল ইসলাম (বিপিএম, সেবা), সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আলীয়া জাহান ফেরদৌসী, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান, কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, রাজশাহী থেকে আসা ক্রাইম সিনের একটি প্রতিনিধি দলও আগুনে পুড়ে যাওয়ার গণউন্নয়ন একাডেমি পরিদর্শন করেছেন। তারা পুড়ে যাওয়া আসবাবপত্র ও বইসহ কাগজপত্রের আলামত সংগ্রহ করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান জানান, কিভাবে আগুন দিয়ে বিদ্যালয় পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তা তদন্ত করতে ক্রাইম সিনের ইউনিট কাজ করছে। এছাড়া তারা ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় ঘিরে রেখেছেন। একই সঙ্গে তারা আলামত সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া আগুনের ঘটনার রহস্য উৎঘাটন ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণউন্নয়ন কেন্দ্রের সহায়তায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে (২৬ জানুয়ারি) গণউন্নয়ন একাডেমিতে আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষসহ সাতটি ক্লাস রুম পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া আগুনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র, রেজিস্টেশন কার্ড, আসবাবপত্র, শিক্ষা সরঞ্জাম ও অফিস কক্ষের আলমারিতে রাখা ১২ বছরের অন্তত ২০ হাজার স্কুল সার্টিফিকেট এবং নম্বরপত্র ভস্মিভূত হয়। এতে প্রায় কোটি টাকার সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়।
/বিটি/
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ভ্যান যাচ্ছে জাদুঘরে, ভ্যানচালক বিমান বাহিনীতে








