রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় আম্বিয়া খাতুন নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে হত্যার অভিযোগে শফি উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এ রায় দেন।
আসামি শফি উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মিঠাপুকুর উপজেলার খামার কুর্শা গ্রামের সোলায়মান আলীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী কফিল উদ্দিনের ছেলে শফি উদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে ১৯৯৫ সালের ১২ জুলাই আসামি শফি উদ্দিন ছুরি নিয়ে সোলায়মানের বাড়িতে এসে তার খোঁজ করতে থাকে। ওই সময় সোলায়মান বাড়িতে ছিলেন না। শফি উদ্দিনকে থামাতে সোলায়মানের স্ত্রী আসমা বেগম ও ভাতিজি আম্বিয়া খাতুন এগিয়ে আসলে আসামি স্কুলছাত্রী আম্বিয়া খাতুনের পেটে ছুরিকাঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই আম্বিয়া খাতুনের মৃত্যু হয়। এ সময় আসামি শফি সোলায়মানের স্ত্রী আসমা বেগমকেও কুপিয়ে আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আম্বিয়া বেগমকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত আম্বিয়া খাতুনের চাচা সোলায়মান আলী বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ওই বছরের ১৩ নভেম্বর আসামি শফি উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। এ মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আসামি শফি উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারক। অন্যদিকে আসমা বেগমকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি পলাশ বলেন, ‘আসামিকে গ্রেফতারের পর রায় কার্যকর হবে। এ রায়ে আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি।’
/বিএল/
আরও পড়ুন:








