বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার তালোড়ার সরদারপাড়ায় বাল্যবিয়ে দেওয়ায় বর ও কনের অভিভাবকদের অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষ বিদায়ের আয়োজন করবে না মর্মে মুচলেকা দিয়েছে।
আদালত সূত্র জানা যায়, দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া সরদারপাড়ায় উজ্জ্বল সরদারের মেয়ে অস্মিতা খাতুনের (১৪)সঙ্গে পাশের কাহালু উপজেলার গন্ধিশ্বর গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে রাশেদুল ইসলামের (২০) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। বাধ্য হয়ে অভিভাবকরা তাদের বাড়িতে এনে বিয়ে দেন। গত শুক্রবার রাতে মেয়ের বাড়িতে বিদায়ের অনুষ্ঠান চলছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেদ পারভেজ গোপনে খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ওই বাড়িতে যান। আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে বর রাশেদুল ইসলাম ও মেয়ের বাবা উজ্জ্বল সরদার পালিয়ে যান। পুলিশ মেয়ের চাচা মিন্টু সরদার ও ছেলের বাবা আবদুল গফুরকে আটক করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত দু’জনকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে টাকা পরিশোধ করেন। এছাড়াও কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হবে না মর্মে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, তাদের বিয়ে আগেই হয়ে গেছে। বিয়ে সম্পর্কে নতুন আইন হওয়ায় অভিভাবকদের শুধু অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন: লাশ গুমের চেষ্টা পুলিশের, মামলার আসামি ‘জনতা’








