একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা ৯টি মামলার অনুসন্ধান কার্যক্রমের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ছয় সদস্যের দল দিনাজপুরে অবস্থান করছেন। চার দিনের সফরে রয়েছেন তারা।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মো. নাজমুল হকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল সোমবার থেকে দিনাজপুরে আছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়েরকৃত ৯টি মামলার বাদী ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিনাজপুরে এসেছেন তারা। স্থানীয় সার্কিট হাউজে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়েরকৃত ৯টি মামলার মধ্যে রয়েছে বোচাগঞ্জ উপজেলায় চারটি, বিরল উপজেলায় দুটি, পার্বতীপুর উপজেলায় দুটি ও বীরগঞ্জ উপজেলায় একটি মামলা।
বোচাগঞ্জ থানার চারটি মামলার বাদী হচ্ছেন মুর্শিদহাট শহীদপাড়ার মৃত শহিদুল ইসলাম শাহের ছেলে মো. মজিবর রহমান শাহ, ধনঞ্জয়পুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের স্ত্রী গুলজান নেছা, শ্রীমন্তপুর জালিয়াপাড়ার মৃত তারিনী কান্ত দাসের ছেলে সকেন চন্দ্র দাস এবং আনোড়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দীন সরকারের ছেলে মোসলেম আলী।
বিরল থানার দুটি মামলার বাদী হচ্ছেন দ্বৈকতবাড়ী গ্রামের মরহুম জফর মোহাম্মদের ছেলে খতির ও রবিপুর গ্রামের মৃত সমির উদ্দিনের ছেলে মো. হাফিজ উদ্দিন।
পার্বতীপুর থানার দুটি মামলার বাদী হচ্ছেন গড়েরপাড়ার মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. এমতাজ আলী ও একই থানার ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে মো. আফসার আলী। বীরগঞ্জ থানার একমাত্র মামলার বাদী প্রাণনগরের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন।
তদন্ত দলের সদস্য এসআই নাজমুল আলম জানান, মঙ্গলবার বোচাগঞ্জ থানার চারটি ও বীরগঞ্জ থানার ১টিসহ মামলার বাদী ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও তদন্ত দলের প্রধান মো. নাজমুল হক পৃথকভাবে জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মো. হামিদুল আলম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিদ্দিক গজনবী ও সদর উপজেলা কমান্ডার লোকমান হাকিমসহ মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
সময় মতো বাঁধ না হওয়ায় সুনামগঞ্জে ৭২ হাজার হেক্টর জমির ধান পানির নিচে








