গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়িতে এক গৃহবধূকে (২০) গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শনিবার (২৯ জুলাই) সকালে সদর থানায় মামলা হলে পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করে। সদর উপজেলার মৌজা মালিবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে শুক্রবার বিকালে মালিবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে ধর্ষণের শিকার হয় ওই গৃহবধূ। বর্তমানে গৃহবধূ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার কিশামত মালিবাড়ী ধর্মপুর গ্রামের আহম্মদ আলী (৩৫), একই গ্রামের মন্টু মিয়া (৪৫) ও কুপতলা গ্রামের মজনু মিয়া (২২)।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়টি করেছেন।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি খান মো. শাহরিয়ার জানান, ওই গৃহবধূর স্বামী ঢাকার একটি গার্মেন্টে চাকরি করেন। গত শুক্রবার বিকালে গৃহবধূ ফ্লেক্সিলোড ও মোবাইলে গান ডাউনলোড করতে বাড়ির পাশের একটি দোকানে যান। এ সময় দোকান মালিক আশরাফুল তার দোকানের কম্পিউটার নষ্ট হয়েছে বলে জানায় গৃহবধূকে। এরপর আশরাফুল তাকে প্রস্তাব দেয় পাশের বাড়ির একটি কম্পিউটার থেকে গান ডাউনলোড করা সম্ভব। পরে আশরাফুল গৃহবধূকে ওই বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে গৃহবধূকে আশরাফুলসহ ৪-৫ জন ধর্ষণ করে। এরপর গৃহবধূকে বাড়িতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় শনিবার সকালে গৃহবধূ বাদী হয়ে পাঁচজন নামীয় ও অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে সদর থানায় গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া মূল আসামি আশরাফুলসহ অন্যদের গ্রেফতার করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গ্রেফতার তিন জনকে দুপুরের মধ্যে আদালতে পাঠানো হবে।
এছাড়া ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।
/বিএল/








