নীলফামারীর ডোমারর জোপড়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হাচানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা। সোমবার (২৮ আগষ্ট) বিকেলে জেলা শহরের বড় মসজিদ সংলগ্ন মিডিয়া হাউসে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর চেয়ারম্যান আবুল হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
ওই ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে লিখত বক্তব্য পাঠ করেন, চার নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য (১,২,৩) রুনা আক্তার লায়লা, রিনা আফরোজ (৪,৫,৬), আব্দুল জলিল, আব্দুল আজিজ, আব্দুল হাই, জহিরুল ইসলাম ও আজিজুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বন্যায় এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও কালভার্ট মেরামতের জন্য সদস্যদের নামে ভুয়া রেজুলেশনের মাধ্যমে প্রকল্প দাখিল করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান। এরপর গত ৮ জুলাই ওই প্রকল্পের দুই লাখ টাকা তুলে তিনি আত্মসাৎ করেন।
২০১৬- ২০১৭ অর্থবছরের চিলাহাটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে পাওয়া রাজস্ব আয়ের প্রায় এক লাখ টাকা অবৈধভাবে তুলে আত্মসাৎ করেছেন। একই বছর নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্যের কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দও তুলে আত্মসাৎ করেছেন। ওই অর্থবছরে এডিবি’র প্রকল্পের বরাদ্দের টাকাও নিজ স্বার্থে ব্যবহার করেছেন।
পাশাপাশি, গত মৌসুমে খাদ্যগুদামে কৃষকদের পণ্য সরবরাহের (টোকেন) সিলিপ কৃষকদের হাতে না দিয়ে নিজের লোকদের হাতে দেন। পরে তাদের মাধ্যমে ২৫ মেট্রিক টন ধান, চাল, গম সরবরাহ করে ব্যবসা করেন।
সদস্য রুনা আক্তার লায়লা বলেন, ‘চেয়ারম্যান নারী সদস্যদের মূল্যায়ন করেন না, সব সদস্যকে ফাঁকি দিয়ে তাদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ ও টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন। আমরা ডিসি স্যার বরাবর অভিযোগ দিলাম। ব্যবস্থা না নিলে অনাস্থা প্রস্তাব আনবো।
ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাচান এ অভিযোগ অস্বিকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাদের মতের সঙ্গে একমত না হওয়ায় স্বার্থে আঘাত লাগার কারণে এমন অভিযোগ করছেন। এছাড়া তারা আমার কাছে কাজের টাকা দাবি করেছেন।








