বন্যার কারণে যেসব জমির ধানের চারা মরে গেছে সেসব জমিতে নতুন করে চারা রোপনের জন্য দিনাজপুরে ২৫ একর জমিতে সরকারিভাবে নাবী রোপা আমন (ব্রি-৩৪) ধানের বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। এই বীজতলায় তৈরি চারা জেলার চাহিদা মিটিয়েও পার্শ্ববর্তী জেলাতেও সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর নশিপুর বিএডিসি ও পাট বীজ খামারের জমিতে বীজতলায় ধানের বীজ ছিটিয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, কোতোয়ালি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন প্রমুখ।
এ সময় জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম জানান, ভয়াবহ বন্যার ফলে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই কৃষকদের সহায়তার জন্য এই ধানের বীজ বপন করা হচ্ছে। আগামী ১২ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই এসব বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন করে জমিতে রোপন করা যাবে। এসব চারা কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি।
দিনাজপুরে প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির আমন ধানের চারা বন্যার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই কৃষকদেরকে সরকারিভাবে চারা ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে যা দিয়ে রোপন প্রায় শেষের দিকে। এখনও যেসব জমিতে চারা রোপন করা হয়নি এমন চাষিদের বিনামূল্যে চারা বিতরণের লক্ষ্যে এই নাবী রোপা আমন (ব্রি-৩৪) ধানের বীজতলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
‘ছয় দফাকে কেন্দ্র করে পুরো আন্দোলনটাই আমার মা গড়ে তুলেছিলেন’








