এলসির নির্ধারিত দামে চাল পাচ্ছেন না আমদানিকারকরা

হিলি প্রতিনিধি
১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৮:২৯আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৮:৩৪

এলসির নির্ধারিত দামে চাল পাচ্ছেন না আমদানিকারকরা

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, ভারত থেকে দেশে চাল আমদানির জন্য খোলা এলসির নির্ধারিত দামে তারা চাল পাচ্ছেন না। ঈদের আগে ভারত থেকে চাল আমদানির জন্য খোলা এলসিগুলো আবার ব্যাংক থেকে এম্যান্ডমেন্ট করে তাতে ডলার বাড়িয়ে চাল আমদানি করতে হচ্ছে। এর ফলে একদিকে আমদানিকারকরা যেমন আর্থিক ক্ষতির সন্মুখিন হয়েছেন, তেমনি দেশের চালের বাজারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।

হিলি স্থলবন্দরের চাল আমদানিকারক হারুন উর রশীদ ও রাজীব দত্ত বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বাংলাদেশে চালের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চালের কৃতিম সঙ্কট দেখিয়ে দফায় দফায় চালের দাম বাড়াচ্ছে। ভারতের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন যে হারে চালের দাম বাড়াচ্ছে তাতে আমদানিকারকরা চাল আমদানি করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

তারা আরও বলেন, ‘আমরা রফতানিকারকদের কাছ থেকে ঈদের আগে প্রতি টন চাল ৪৬০ থেকে ৪৭০ ডলারে কিনেছে। এর বিপরীতে ব্যাংকেও প্রচুর এলসি খুলেছিলাম। কিন্তু এখন তারা ওইসব এলসির বিপরীতে চাল রফতানি করছেন না। ওই চাল আসলে দেশের বাজারে চালের দাম কিছুটা কমতো।কিন্তু ভারতীয় রফতানিকারকরা আগের মূল্যে করা এলসির বিপরীতে চাল রফতানি করছেন না। এখন ওই সব এলসি ব্যাংক থেকে আবারও এম্যান্ডমেন্ট করে ডলার বাড়িয়ে তারপর চাল আমদানি করতে হচ্ছে। এর ফলে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুক্ষিন হচ্ছি। ঈদের পরও তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে প্রতি টন চালের জন্য ৪৮০ থেকে ৫শ’ ডলার দিতে হবে।’

তারা আরও জানান, দুদিন আগে তারা হঠাৎ করে চালের দাম টন প্রতি ৭০ থেকে ৮০ ডলার বাড়িয়ে ৫৬০ থেকে ৫৭০ ডলার চাচ্ছে। মূলত ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চালের রফতানি মূল্য বাড়ানোর কারণেই দেশের বাজারে চালের দাম কমছে না। আমদানিকারকরা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে,বন্যার কারণে এবার ভারতেও চালের উৎপাদন কম হয়েছে। কাজেই চালের রফতানি মূল্য প্রতিটন ৬শ’ ডলারও হতে পারে। এর ফলে দেশের বাজারেও চালের দাম বাড়তে পারে।’

রফতানি মূল্য বাড়ার ফলে দেশের চালের বাজার পুরোপুরি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৯ টাকা করে বেড়েছে। বর্তমানে আমদানিকৃত স্বর্ণা ও রত্না জাতের চাল প্রকারভেদে পাইকারি (ট্রাকসেল) বিক্রি করা হচ্ছে ৪৬ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। ঈদের পর পরও ৪১ থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আর ঈদের আগে প্রকারভেদে ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। 

আরও পড়তে পারেন: নাইক্ষ্যংছড়িতে আটক হওয়া চার ‘গুপ্তচর’ রোহিঙ্গা হত্যার সঙ্গে জড়িত দাবি স্থানীয়দের

/জেবি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম