দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বেড়েছে। ফলে দুইদিনের ব্যবধানে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজি প্রতি ৭ থেকে ৮ টাকা। সামনে পেঁয়াজের আরও দাম কমবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ কমে যায়। বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়। বর্তমানে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে নতুন জাতের পেঁয়াজ আসতে শুরু করায় সরবরাহ বেড়েছে, এখন গড়ে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে।
সরেজমিনে হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রতি কেজি ৪৭ থেকে ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব জাতের পেঁয়াজ দুদিন আগেও প্রকারভেদে ৫৪ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। দুদিন আগেও এসব জাতের পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভারতে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে সেদেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ার দাম ঊর্ধ্বমুখি হতে থাকে। এর ফলে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ কমে যায়। তবে ইতোমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। সেদেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ছে এবং দামও কিছুটা কমতে শুরু করেছে। একই কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণও আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। সরবরাহ বাড়ার ফলে পণ্যটির দামও কমতে শুরু করেছে।’
ব্যবসায়ীরা জানান, আগামী দুয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপকহারে পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু হবে। এছাড়া দেশের বাজারেও বিভিন্ন এলাকার দেশি জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমে আসবে।








