নীলফামারীতে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) বিকালে জেলা শহরের বাড়াইপাড়া মহল্লায় সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানা লাভলী পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ওই কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন।
অভিযোগে জানা যায়, মেয়েটি বিয়েতে রাজি ছিল না। কিন্তু তার সৎ মা জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের গোপাল চন্দ্র রায়ের ছেলে দিনমজুর সুধেন চন্দ্র রায়ের (২৫) সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করেন। সন্ধ্যায় বরযাত্রীর আসার কথা ছিল। তার আগেই ওই ছাত্রী বান্ধবীদের মাধ্যমে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানাকে অবগত করে।
আরিফা সুলতানা জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসক মোহম্মদ খালেদ রহীমকে জানালে থানা পুলিশের সহায়তায় ওই কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়। এ সময় স্কুল ছাত্রীর বাবা ও সৎ মা বাল্যবিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাফিয়া ইকবাল, ছমির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক ভুবন কুমার তরফদারসহ বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ।








