গাইবান্ধায় যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা হামলা: তিন বছরেও শুরু হয়নি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৬:৩৬আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৬:৪৬

গাইবান্ধা জেলা তিন বছরেও শুরু হয়নি গাইবান্ধায় যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা হামলা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। পাবলিক প্রসিকিউটরের দাবি, মামলার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হতে দেরি হচ্ছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিএনপির অবরোধ চলাকালীন যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আগুনে দ্বগ্ধ হয়ে আট জনের মৃত্যু হয় ও ৩০ জন মারাত্মক আহত হয়। ঘটনার পরদিন (৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ৬০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩০ জনকে (মোট ৯০ জন) আসামি করে সদর থানায় মামলা করে পুলিশ। এরপর ঘটনার এক বছর এক মাস ১৯ দিন পর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আনিছুজ্জামান খাঁন বাবু, জেলা জামায়াতের আমির আবদুর রহিম, জামায়াত নেতা মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোরশেদ হাবীব এবং সাহাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান টুলুসহ ৭৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

গাইবান্ধা জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম শফিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চার্জশিট দাখিলের পর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে মামলাটি জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত ৭৬ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়েছে। আগামীকাল ৭ ফেব্রুয়ারি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর  দিন ধার্য করা হয়েছে।  আশা করছি  এ বছরেই বিচার কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মামলার পর তিন বছরে চার্জশিটভুক্ত ৭৬ জনের মধ্যে অধিকাংশ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু বর্তমানে তারা সবাই উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ঘটনার কয়েকদিন পরেই মামলার প্রধান আসামি শিবির কর্মী মোস্তফা মঞ্জিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।’

হতাহত পরিবারের স্বজনরা জানান,দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে প্রাণে বেঁচে যাওয়া দ্গ্ধ অনেকে শারীরিক যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে আছেন। ঘটনার পরপর সরকারি সামান্য আর্থিক সহায়তা পেলেও এখন আর কেউ তাদের খোঁজ রাখে না। স্বজন হারানো এসব মানুষ দ্রুত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 

 

 

 

/এসএসএ/ টিএন/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মৌমাছির রানি হয়ে ওঠার রহস্য কী
মৌমাছির রানি হয়ে ওঠার রহস্য কী
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম