পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রয়াত ড. ওয়াজেদ মিয়ার নামে হতে যাচ্ছে সৈয়দপুর বিমানবন্দর। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার আগেই সরকারের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের পর এটি হবে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিলবোর্ড সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের টার্মিনাল চত্বরে লাগানো হয়েছে।
উত্তর জনপদের নীলফামারীর মানুষ এ খবর শুনে সরকারের উদ্দ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে। এ ছাড়াও সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলে রংপুর বিভাগের ৮টি জেলাসহ আশপাশের জেলার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে। বদলে যাবে এই এলাকার মানুষের জীবনমান।
এদিকে বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত কাজের অংশ হিসেবে গত ৩১ মার্চ সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (সিসিএবি) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ নাইম হাসান ও সদস্য (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডোর মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল বিমানবন্দরটি পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে গেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রানওয়ে সম্প্রসারণের ভূমি অধিগ্রহণ, টার্মিনাল ভবনসহ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে উত্তর কোরিয়ার কনসাল্টিং প্রতিনিধি মিস্টার ঝাং বিমানবন্দরের এলাকা পরিদর্শন করে গেছেন। এর আগে থেকেই রাতের বেলায় যাত্রীবাহী বিমান নিরাপদে ওঠানামা করার অ্যাপ্রোচ লাইটিংয়ের কাজ শতকরা ৭৫-৮০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়। এতে প্রায় ব্যয় হচ্ছে ৪৫ লাখ টাকা। একই সঙ্গে রেস্ট হাউজ নির্মাণের কাজও।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক শাহীন আহম্মেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত ৩১ মার্চ সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (সিসিএবি) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ নাইম হাসান ও সদস্য (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডোর মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল বিমানবন্দরটি পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে গেছেন। বিমানবন্দরের অবকাঠামো এবং উন্নয়নের কারিগরি দিক পর্যবেক্ষণ করেন তারা। আশা করি, দ্রুত এটি সবার কাছে দৃশ্যমান হবে।’








