গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সুজন মিয়া (২৬) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার কিশোরীর দাদী বাদী হয়ে বুধবার (৬ জুন) রাত ১০টার দিকে সাদুল্যাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত সুজন মিয়া সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের আজম আকন্দের ছেলে। সুজন মিয়াকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে কিশোরীর পরিবার।
নির্যাতনের শিকার কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের মাঠে ছাগল চরাতে গিয়েছিল কিশোরীটি। এ সময় প্রতিবেশী সুজন মিয়া পেছন দিক থেকে তার ওড়না টেনে খুলে নেয় এবং সেটা দিয়ে মুখ চেপে ধরে। পরে একটি আখ ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে সুজন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। নির্যাতনের শিকার কিশোরী এক পর্যায়ে সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে যায়। অবশ্য তার আগেই অভিযুক্ত সুজন মিয়া পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় নির্যাতিত কিশোরীকে প্রথমে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকায় পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক আফরুজা সুলতানা জানিয়েছেন, ‘কিশোরীর শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার সার্বিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।








