পাঁচ দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারি পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে সর্বোচ্চ ৫ টাকা। পাঁচদিন আগেও প্রতিকেজি পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) ২০ থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকা থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের আগে বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হতো। ঈদের ছুটি শেষে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হলে বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৪০ থেকে ৪৫ ট্রাকে দাঁড়িয়েছে। ঈদের ছুটি শেষে ১৯ জুন মঙ্গলবার চালুর দিন বন্দর দিয়ে ৩২টি ট্রাকে ৬৪০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়, ২০ জুন বুধবার বন্দর দিয়ে ৪২টি ট্রাকে ৮৮৯ টন, ২১ জুন বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে ৫৫টি ট্রাকে ১১২৫ টন, ২৩ জুন শনিবার বন্দর দিয়ে ৩৬টি ট্রাকে ৭৪৭ টন, ২৪ জুন রবিবার বন্দর দিয়ে ৪১টি ট্রাকে ৮৬৭ টন, ২৫ জুন সোমবার বন্দর দিয়ে ৪০টি ট্রাকে ৮৪৭ টন, ২৬ জুন ৪০টি ট্রাকে ৮৫৮ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এভাবে গত ৬ দিনে বন্দর দিয়ে ২৮৬টি ট্রাকে ৫৯৭৩ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে নাসিক, ইন্দোর ও রাজস্থান জাতের আমদানিকৃত এসব জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রকারভেদে ১৭ টাকা থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঁচদিন আগে এসব জাতের পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২০ টাকা থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রকারভেদে আমদানিকৃত কিছুটা নিম্নমানের ভারতীয় পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে (ছাল উঠানো) ১৬ টাকা থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে। পাঁচদিন আগে এসব জাতের পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২০ টাকা থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মামুনুর রশীদ ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরসহ দেশের সব স্থলবন্দর দিয়ে চার থেকে ছয় দিন পণ্য আমদানি রফতানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ ছিল। দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় পেঁয়াজের সঙ্কট তৈরি হয়েছিল। এর ফলে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদের ছুটি শেষে হিলিসহ দেশের সব বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বাণিজ্য শুরু হওয়ায় পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণও খানিকটা বেড়েছে। দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে।








