গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলা শহর ও গ্রামে বিদ্যুতের লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকরা। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ থাকলেও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে গ্রাহকদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সাদুল্যাপুর সাব-জোনাল অফিসের সহকারী ম্যানেজার (এজিএম-কাম) শামছুল হকের বিরুদ্ধে।
জুন ক্লোজিংয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলায় টার্গেট অর্জন ও সিস্টেম লস কাটিয়ে উঠতে এবং গ্রাহকের চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ বিক্রয় কম দেখাতে ইচ্ছেকৃতভাবে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।
কলেজ রোড়ের জাহিদ, আসাদুল ইসলাম নূর, ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনসহ একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ- শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘনঘন লোডশেডিং চলছিল। কিন্তু রাত ১০টার পর থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত গোটা সাদুল্যাপুর উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। ফলে দুঃসহ গরমে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে তাদের। আবার ২-৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।
অভিযোগের বিষষে এজিএম শামছুল হকের সঙ্গে মোবাইলফোনে কথা হলে তিনি লোশেডিংয়ের বিষয়ে একেক সময় একেক কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। নিউজ না করার জন্য বিভিন্নভাবে এই প্রতিবেদককে ম্যানেজের চেষ্টা করেন তিনি।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) নুরুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ভালো থাকায় লোডশেডিং হওয়ার কোনও কারণ নেই।’ অভিযোগ খতিয়ে দেখে এজিএম শামছুল হকসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।







