নীলফামারীতে নতুন মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনে আনন্দে ভাসছে নীলফামারীবাসী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতিতে সারাদেশে চারটি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের ঘোষণা করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে একটি নীলফামারীতে । ইতোমধ্যে দ্রুত এগিয়ে চলছে অবকাঠামো নির্মাণ কাজের প্রক্রিয়া।
সংস্কৃতিমন্ত্রী ও নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর এমপি নীলফামারীতে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে জেলাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ।
সিভিল সার্জন রনজিৎ কুমার বর্মণ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জেলা শহরের অদূরে নটখানা নামক স্থানে স্বাস্থ্য বিভাগের ৫১ দশমিক ৩ একর জমি রয়েছে। সেখানে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে জোড় কদমে। ইতোমধ্যে ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বছরেই ওই মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এছাড়া নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালের ২৫০ শয্যার একটি নতুন ভবন নির্মাণ হয়ে হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে। সেটি দ্রুত হস্তান্তর হলে শিক্ষার্থীদের ক্লাসসহ অন্যান্য অবকাঠামোর অসুবিধা হবে না।’
নীলফামারী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সাধারণ সম্পাদক ডা.মজিবুল হাসান চৌধুরী শাহিন বলেন, ‘নীলফামারীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়ন হচ্ছে। শেখ হাসিনার সরকারের নিরলশ প্রচেষ্টায় গ্রামের পাড়া মহল্লার ছেলেমেয়েরা মেডিক্যাল কলেজে পড়ালেখা করতে পারবে। শুধু তাই নয়, মেডিক্যাল কলেজকে ঘিরে হাজার হাজার বেকার ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
সামাজিক সংগঠন ভিশন ২১ এর প্রধান সমন্বয়কারী ওয়াদুদ রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নীলফামারীর মানুষের জন্য শেখ হাসিনার সরকারের এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। প্রাপ্তির আনন্দে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর সকালে সব স্তরের মানুষের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
সংস্কৃতিমন্ত্রী ও নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর এমপি বলেন, ‘এক সময় উত্তরবঙ্গের মঙ্গা পীড়িত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল নীলফামারী। এখন এখানে উত্তরা ইপিজেড হয়েছে, হয়েছে যুব উন্নয়ন কেন্দ্র, দারোয়ানী সুতা কল, সেবা (নার্সিং) ইনস্টিটিউট, ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, ছোট বড় অনেক কলকারখানা।’








