রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মকিমপুর গ্রামে দুবৃর্ত্তরা হামলা চালিয়ে ভাস্কর অনিক রেজার বাড়িতে থাকা বেগম রোকেয়ার ভাস্কর্য সাবল দিয়ে ভেঙ্গে ফেলার ঘটনায় ঘটনাস্থল পরির্দশন করে পুলিশ সুপার। পীরগঞ্জ থানার ওসি রেজাউল করিম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এ ঘটনায় সোমবার রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভাস্কর অনিজ রেজা জানান, ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে দুবৃর্ত্তরা তার গ্রামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বেগম রোকেয়ার একটি ভাস্কর্য সাবল দিয়ে কুপিয়ে ভেঙে ফেলেছে। এ ছাড়াও ঘরের ভেতর থাকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভেঙে ফেরার চেষ্টা করেছে।
তিনি জানান,ভাস্কর্য বানাতে বেশি জায়গার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি গ্রামের বাড়িতে এসব তৈরি করেন। এ ঘটনায় পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রংপুরের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি এলাকাবাসী ও আশেপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় ভাস্কর্য অনিক রেজাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন তদন্তে প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে ভাস্কর অনিক রেজা জানান, তিনি থানায় প্রথমে একটি জিডি করেছিলেন সোমবার রাতে পুলিশ তার ছাত্র টগরকে থানায় ডেকে এনে মামলা নিয়েছে। মামলায় কাউকে অভিযুক্ত করা হয়নি।
সার্বিক বিষয় জানতে পীরগজ্ঞ থানার ওসি রেজাউল করিমের সঙ্গে সন্ধ্যা পৌনে ৭ টার দিকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বেগম রোকেয়ার ভাস্কর্যটি তৈরি করা হচ্ছিলো।এটা পুরোপুরি বানানো হয়নি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে ভাস্কর্যটির শরীরে লাগানো মাটির প্রলেপ সঠিক ভাবে দেওয়া হয়নি বলে সম্ভবত এটি পড়ে গেছে। আর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল এখনো তৈরি হয়নি বরং তৈরি করার প্রাথমিক কার্যক্রম চলছিল। তার পরেও তদন্ত করে দেখা গেছে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।








