নীলফামারীর পূজামণ্ডপগুলোয় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ, এখন চলছে রং তুলির কাজ। এছাড়া পূজামণ্ডপকে আকর্ষণীয় করতে আলোকসজ্জা ও গেট নির্মাণের প্রতিযোগিতা চলছে। জেলা সদরসহ ছয় উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
প্রতিমা কারিগর সত্যেন্দ্রনাথ রায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গতবারের চেয়ে এবার প্রতিমা ব্যতিক্রম। আকারে অনেক বড় এবং নতুনত্ব রয়েছে পুতুলে। শাপলা ফুলের মাঝখানে গণেশ ঠাকুর। যুদ্ধে যাচ্ছেন কার্তিক ঠাকুর।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিমল চন্দ্র রায় বলেন, জেলার ৬১ ইউনিয়নের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী জমিদারবাড়ি বাহালীপাড়া কাছাড়িবাজার পূজামণ্ডপে প্রতিবারেই জাঁকজমকপূর্ণ পূজা হয়ে থাকে। এবারেও তার ব্যতিক্রম নয়।
ওই মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ও কৃষি উপ-সহকারী হরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘গতবারের চেয়ে এবার অত্যাধুনিক করা হচ্ছে লাইটিং, গেট, মন্দিরের সাজসজ্জা ও প্রতিমার অলংকার। সবকিছুই আর ১০টি পূজামণ্ডপের চেয়ে ভিন্ন ও ব্যতিক্রম।’
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, এবারে নীলফামারীতে ৮৫৭টি পূজামণ্ডপ তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে ডোমারে ৯৪টি, ডিমলায় ৭৬টি, জলঢাকায় ১৬৯, কিশোরগঞ্জে ১৫৩, সদরে ২৭৮টি ও সৈয়দপুরে ৮৭টি।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অক্ষয় কুমার রায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জেলায় ৬১টি ইউনিয়নের মধ্যে সদরের রামনগর ইউনিয়নের বাহালীপাড়া জমিদারবাড়িতে ব্যাপক আয়োজনে শারদীয় উৎসব হবে।
নীলফামারীর সদর থানার ওসি মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রতিমা তৈরির শুরু থেকেই মণ্ডপগুলোর খোঁজ খবর রাখছি। যাতে কোনও অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা না ঘটে সেদিকে কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গতবারের চেয়ে এবারে প্রত্যেকটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পূজা চলাকালে সাদা পোশাকে ও পোশাকধারী পুলিশসহ বিজিবি ও র্যাবের সদস্যরা টহল দিবেন। আশা করছি শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা শেষ হবে।








