দিনাজপুরের হিলিতে দু’সপ্তাহের ব্যবধানে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার প্রতি ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা দাম বেড়েছে। আবার কোনওটি ১৫০ টাকার মতো বেড়েছে। দু’সপ্তাহের আগে প্রকারভেদে ১২কেজি ওজনের একটি এলপিসি গ্যাস সিলিন্ডার ৯৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে এক হাজার ৫০ টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, আবার কোনও কোনওটি ১ হাজার ১শ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে হঠাৎ করে গ্যাসের দাম বাড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ভোক্তারা। তারা অবিলম্বে গ্যাসের দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিন হিলি বাজারের বসুন্ধরা, যমুনা, ওমেরা, বিপিএমসহ অন্যান্য এলপিজি গ্যাসে ডিলারদের দোকান ঘুরে জানা গেছে, প্রতিটি গ্যাসের দাম আগের চেয়ে ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কিছু কিছু দোকান মালিক আরও বাড়তি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন।
বাজারে গ্যাস কিনতে আসা কয়েকজন ব্যক্তি জানান, কিছু দিন পর পর যদি এভাবে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়। তাহলে তো আমরা যারা মধ্যবিত্ত ও সাধারন আয়ের মানুষ রয়েছি তারা তো আর সাধ্যের মধ্যে গ্যাস কিনতে পারবো না। এভাবে দাম বাড়লে আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি দ্রুত যেন এলপিজি গ্যাসের দাম কমানো হয়।
হিলি বাজারের গ্যাস ডিলার আছানুর রহমান ও হযরত আলী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আমরা হিলি বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাসের ডিলারশিপ নিয়েছি। কিন্তু হঠাৎ করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর গ্যাস কোম্পানিগুলো গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিন্ধান্ত নেয়। তবে ঠিক কি কারণে গ্যাসের এই মূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে তা আমাদের জানানো হয়নি। আগে একটি ১২ কেজি ওজনের এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডারের পাইকারি দাম ছিল ৯৩০ টাকা থেকে ৯৪০ টাকা করে আর খুচরা বিক্রি হতো ৯৮০ টাকা করে। গত ১ অক্টোবর থেকে নতুন মূল্যে এক হাজার ৩০ টাকা থেকে এক হাজার ৬০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১শ’ টাকা দরে। তবে দুদিন হলো ওমেরা গ্যাসের দাম সিলিন্ডার প্রতি ২০ টাকা করে কমানো হয়েছে। যার কারণে আমরাও ২০ টাকা কমে বিক্রি করছি। আমাদের বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে বলে বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। নতুন করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে আমরা গ্যাস বিক্রেতারা বিপাকের পড়েছি। কারণ এক সিলিন্ডা গ্যাস বিক্রি করে আমাদের তেমন কোনও লাভ হয় না, এছাড়া দাম বাড়ায় তেমন বিক্রিও হচ্ছে না।







