৮ দফা দাবিতে সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো সোমবারও চলছে। আজও রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে কোনও বাস ছেড়ে যায়নি। এর ফলে আন্তঃজেলাসহ ৫৩টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে বাস ধর্মঘটের কারণে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছে। ঘণ্টা পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তারা নির্দৃষ্টস্থানে যেতে পারছে না।
এদিকে আজও পরিবহন শ্রমিকরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, মেডিক্যাল মোড় ও মর্ডান মোড়সহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে লাঠিসোঁটা নিয়ে সাধারণ গাড়ি আটকে রেখে নৈরাজ্য অব্যাতহ রেখেছে। তারা প্রাইভেট কারসহ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি চলাচলে বাধা দিচ্ছে। সড়কে লাঠি নিয়ে মিছিলের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করলেও পুলিশ তাদের কোনও বাধা দিচ্ছে না। বাধার কারণে সীমিত আকারে প্রাইভেট কার চলছে। এ ছাড়াও ইজিবাইক চলাচলে বাঁধা দেওয়ার কারণে যাত্রীরা জরুরি প্রয়োজনে নিজেদের গন্তব্যে যেতে পারছে না।
সরেজমিন নগরীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে কোথাও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। দু’জন মহিলা যাত্রী অভিযোগ করেন তারা জরুরি প্রয়োজনে রংপুর থেকে তারাগঞ্জে যাওয়ার জন্য মেডিক্যাল মোড় থেকে একটি ইজিবাইকে উঠার চেষ্টা করলেও পরিবহন শ্রমিকরা তাদের বাধা দেয়। এছাড়াও রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, মর্ডান মোড়, মাহিগঞ্জ সাত মাথা এলাকাসহ নগরীর সব স্থানেই পরিবহন শ্রমিকরা লাঠি হাতে প্রাইভেট কার ও ইজিবাইক চলাচলে বাঁধা দিচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছে।
এ ব্যাপারে রংপুর বিভাগীয় পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের রংপুর বিভাগীয় সভাপতি আখতার হোসেন বাদলের সঙ্গে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই রাশেদ জানান, তারা কোনও অরাজকতা সহ্য করবেন না। প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








