বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ‘গোটা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বিএনপিকে নিয়ে, খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র। তারই অংশ হিসেবে আদালতে রায় হয়েছে। আমি আগেই বলেছি, বাংলাদেশের জনগণ এ রায়, এ আদেশ মানবে না, মানে না। আমরা তারপরও বলেছি, এ নির্বাচনকে আমাদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছি। বর্তমানে যে পরিস্থিতি, সেই পরিস্থিতিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এই চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার যতই চেষ্টা করুক আমাদের নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার, আমরা নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাবো না। আমরা শেষ পর্যন্ত এই নির্বাচনে থাকবো। আমাদের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করবো।’
বুধবার (২৮ নভেম্বর) সৈয়দপুরে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘পার্টি থেকে আমাকে বলা হয়েছে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করার কথা আমরা কখন ভাবিনি। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, তাকে বাদ দিয়ে একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সরকারের যে অপকৌশল, নির্বাচনের ঠিক আগে এ রায় ঘোষণা করার অর্থ দেশনেত্রীকে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখা।'
এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, ‘আজ এই ফরমে সই করতে গিয়ে আমি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হয়েছি। নেতারাও ভারাক্রান্ত হয়েছে। পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার কাছে ভরসা রাখছি, আগামী নির্বাচনে আমাদের জয় ইনশাআল্লাহ হবেই।'
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুরের রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নীলফামারী-৪ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার, পৌর কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা জিয়াউল হক জিয়া, দিনাজপুর-৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশি আখতারজ্জামান মিয়াসহ ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।







