গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ছয়বারের জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী (৮৪) মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
ফজলে রাব্বী চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসে সংক্রমণ ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তার ৩ ছেলে ও ২ কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি পলাশবাড়ী উপজেলার তালুকজামিরা গ্রামের প্রয়াত স্কুলশিক্ষক আহসান উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে।
সাদুল্যাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম স্বপন জানান, ফজলে রাব্বী দীর্ঘদিন ধরে হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় ভোটের মাঠে আসতে পারছিলেন না তিনি। তবে বৃহস্পতিবার তার ভোটের মাঠে আসার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ঢাকার নিজ বাসায় বুকে ব্যাথা অনুভব করেন তিনি। পরে দ্রুত তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
১৯৩৪ সালে ১ অক্টোবর পলাশবাড়ী উপজেলার তালুক জামিরা গ্রামে জন্ম ফজলে রাব্বী চৌধুরীর। তিনি গাইবান্ধা-৩ আসনে জাতীয় পার্টির হয়ে ১৯৮৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত (১৯৯৬) পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে ফজলে রাব্বী জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হন তিনি।
১৯৮৪ সালে এইচ.এম এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন ফজলে রাব্বী। সাবেক রাষ্ট্রপাতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন তিনি। ফজলে ভূমি মন্ত্রী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ও সংস্থাপন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহে প্রফেসর হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।








