দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবারে পাসের হার ৮১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৩০৩ জন শিক্ষার্থী। সোমবার দুপুরে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর তোফাজ্জুর রহমান।
এ সময় তিনি জানান, এবার দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগে ৮টি জেলার মোট ৩ হাজার ২৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩২ জন শিক্ষার্থী ২৮৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ২ লাখ ২ হাজার ৭৫৬ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। এর মধ্যে ৮০ দশমিক ২৬ শতাংশ ছাত্র ও ৮২ দশমিক ৯০ শতাংশ ছাত্রী।
এবারে এই বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৩০৩ জন শিক্ষার্থী। যার মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৪ জন ও ছাত্রীর সংখ্যা ৩ হাজার ২৫৯ জন।
এবার এই বোর্ডের ১১টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করতে পারেনি। আর শতভাগ পাস করেছে ৩০২টি প্রতিষ্ঠান থেকে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করতে পারেনি সে প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার উত্তর মাটুকপুর জুনিয়র গার্লস স্কুল, একই উপজেলার শবদিগঞ্জ জুনিয়র স্কুল ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিসামত বীরচরন বদি (কেবি) জুনিয়র গার্লস স্কুল, লালমনিরহাট জেলা সদর উপজেলার বড় বাশুরিয়া জুনিয়র স্কুল, একই উপজেলার সোনাতলা জুনিয়র সেকেন্ডারি স্কুল ও কালিগঞ্জ উপজেলার নদী ও জীবন জুনিয়র স্কুল, ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার অগ্নিবীনা জুনিয়র হাই স্কুল, হরিপুর উপজেলার টেংরিয়া জুনিয়র গার্লস স্কুল ও একই উপজেলার পিজিএ জুনিয়র গার্লস স্কুল, পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মতর সুন্দরদীঘি জুনিয়র হাই স্কুল এবং একই জেলার আটোয়ারি উপজেলার বড়ঘাতি জুনিয়র স্কুল।
এবার এই বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় ১৭ জন শিক্ষাথীকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল মোট ৭ হাজার ৩৪৩ জন।








