নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ি পর্যন্ত রেল সংযোগটি ফের সচল করার উদোগ নিয়েছে সরকার, যার কাজ অচিরেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।
শনিবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নীলফামারী রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে স্টেশন চত্বরে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে তিনি একথা জানান। এসময় তিনি নীলফামারী রেলস্টেশনের উন্নয়নের আশ্বাস দেন।
নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘আগামী একবছরের মধ্যে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ দিয়ে দার্জিলিং-ঢাকা পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে দ্রুতগতির ট্রেন চলাচল প্রকল্পের কাজও শুরু হয়েছে। এ ছাড়া, বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশেই যমুনা নদীতে আলাদা একটি সেতু নির্মাণ হবে। নতুন ইঞ্জিন আনা হয়েছে, মিটার গেজে ২০০টি এবং ব্রডগেজে ৫০টি কোচ অচিরেই রেলবহরে যুক্ত হবে। শিগগিরই লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকার রেল যোগাযোগকে আরও উন্নত এবং সাধারণ মানুষের চলাচলকে আরও সহজ করতে কাজ করে যাচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সাধারণ টিকিট অনলাইনে দেওয়ার চিন্তা করছি না। কারণ, সাধারণ মানুষের অনেকেই এখনও অনলাইন ব্যবহার জানেন না। তবে টিকিট কেনার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবহার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে আপনাদের কোনও পরামর্শ থাকলে তাও গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হবে।’
তিনি দাবি করেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণের সেবক। ক্ষমতায় এসে রেলের আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থেকে রেলকে ধ্বংস করে গেছে। শুধু তাই নয়, ১৯৯১ সালে ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তারা ছাঁটাই করেছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, তারা আর দেশের কী ভালো চাইবে।’
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন– পশ্চিমাঞ্চলীয় রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম, বিভাগীয় প্রকৌশলী (সেতু) মো. মনিরুজ্জামান ও আরিফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রশীদ মঞ্জু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান প্রমুখ।







