মন্দির সংস্কারের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নীলফামারী প্রতিনিধি
০২ মার্চ ২০১৯, ১১:৩৮আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৯, ১১:৫১

সংস্কারের অভাবে পড়ে থাকা মন্দির নীলফামারী সদরের একটি মন্দির সংস্কারের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক মেম্বার ও আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি সচিন্দ্র নাথ সরকারের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, এক বছর আগে মন্দিরের জন্য মাটি উত্তোলন করা হলেও এখন পর্যন্ত মাটি ভরাট করা হয়নি। কোনও সংস্কারও করা হয়নি। টিআর-এর অর্থ দিয়ে মন্দির সংস্কারের কথা বলে সচিন্দ্র নাথ তা আত্মসাত করেছেন।

সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ দোনদুরি কৈপাড়ার শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা মন্দিরের সংস্কার ও মাটি ভরাটের জন্য সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী বরাবর টিআর প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ চেয়ে একটি আবেদন করা হয়। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর আবেদনটি করেন মন্দির কমিটির সদস্য আপন কুমার সরকার। পরে ওই মন্দিরের নামে ৭৮ হাজার ২০২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় (প্রকল্প নং-টিআর ৬৯)। অনুমোদনের সময় প্রকল্প চেয়ারম্যান হিসেবে আবেদনকারীকে বাদ দিয়ে সাবেক মেম্বার ও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন শাখার ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি সচিন্দ্র নাথ সরকারকে করা হয়। সে অনুযায়ী তিনি প্রকল্পের টাকা তুলে নিলেও গত এক বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়নি। এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কর্তৃপক্ষের কাছে।

এ ব্যাপারে প্রকল্পের সভাপতি সচিন্দ্র নাথ বলেন, ‘মন্দিরের ওই বরাদ্দের টাকায় মাটি ভরাট ও অবকাঠামো নির্মাণ কোনোভাবে সম্ভব নয়। তাই স্থানীয়ভাবে চাঁদা সংগ্রহের অর্থ দিয়ে মন্দিরের কাজ শুরু করা হবে। আমার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ সেটি সত্য নয়।’

নীলফামারী সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশরাফুল ইসলামের বলেন, ‘আমি কিছুদিন আগে এখানে যোগদান করেছি। এ বিষয়ে কিছু জানি না।’

সদর উপজেলা সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল আসাদ মিয়া বলেন, ‘ওই প্রকল্পের টাকা ও স্থানীয়ভাবে কালেকশনের টাকা দিয়ে কাজটি করার কথা ছিল। তবে এখন প্রকল্পের কী অবস্থা সেটা আমি জানি না। আমি বর্তমানে বাঘেরহাটে কর্মরত আছি।’

এ ব্যাপারে কচুকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কচুকাটা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় প্রকল্পটি আজও আলোর মুখ দেখেনি। উপজেলা পর্যায়ে জানাজানি হলেও প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কোনও প্রকার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম