বনে আপন নীড়ে ফিরে গেলো ৪০টি টিয়া পাখি। পঞ্চগড়ে পাচারকারীদের কাছ থেকে উদ্ধারের পর তাদেরকে অবমুক্ত করা হয়। শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে একটি বাস থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে পাখিগুলোকে অবমুক্ত করেন জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, পাখিগুলো ছিল দেশি টিয়া পাখি। এগুলোকে ঢাকায় পাচার করা হচ্ছিল। গোপন খবরের ভিত্তিতে আমরা বাস থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করি। আব্দুল জব্বার নামের একজন ফাঁদ পেতে পাখিগুলো ধরে। তিনি তেঁতুলিয়া উপজেলার তীরনইহাট ইউনিয়নের হুলাসুজোত গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। জব্বার পাখিগুলো নাটোরের মজিবুল হক নামে এক পাচারকারীর কাছে বিক্রি করে।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বনবিভাগ গোপন খবরের ভিত্তিতে পাখিগুলোকে উদ্ধার করে। বন্যপ্রাণি আইনে পশু-পাখি শিকার ও ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ। বন্যরা বনেই সুন্দর, তাই তাদের অবমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বনবিভাগের কর্মকর্তারা বাংলাবান্ধা থেকে সিরাজগঞ্জগামী রয়েল এন্টারপ্রাইজ নামের বাসটিকে আটক করে। বিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বাসটিকে চ্যালেঞ্জ করেন। এসময় বাসটিতে অভিযান চালিয়ে ৪০টি টিয়া পাখিসহ একটি খাঁচা উদ্ধার করা হয়। পরে পাখিগুলোকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন পাখিগুলোকে অবমুক্ত করেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ গোলাম আজম, বনবিভাগের পঞ্চগড় সদরের বিট অফিসার আনোয়ারুল ইসলাম, বন কর্মকর্তা মধুসুধন বর্মন, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
বাসের সুপারভাইজার জাহিদুল ইসলাম জানান, এই খাঁচাটি তেঁতুলিয়া থেকে বাসে তোলা হয়।








