নীলফামারী সদরের কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের সুটি পাড়া গ্রামে ১ মাস ধরে রাস্তায় পড়ে আছে ৩৩ কেভি বিদ্যুতের তার খুঁটি। এলাকাবাসী বাঁশের খুঁটি দিয়ে সেগুলো ওপরে তুলে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। লাইনটি স্থাপনের ১১ মাসের মাথায় তার ও সাতটি বৈদ্যুতিক খুঁটি রাস্তার হেলে পড়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এগুলো ঠিক করার ব্যাপারে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের কোনও উদ্যোগ নেই বলেও তারা জানান। তবে বিষয়টি শুনেছেন জানিয়ে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (নেসকো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নওশাদ আলম খুঁটি ও তার ঠিক করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সৈয়দপুর পাওয়ার গ্রিট থেকে নীলফামারী সুটিপাড়া সাবস্টেশনের একটি লাইনের ছিড়ে পরা জরাজীর্ন তারসহ সাতটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ফসলি জমি, ডোবা ও রাস্তার পাশে পড়ে আছে। এলাকাবাসী বাঁশের খুঁটি দিয়ে রাস্তায় পরে থাকা তারটি ওপরে তুলে যাতায়াতের করছে। এ নিয়ে তারা আতঙ্কিত বলে জানান।
ওই এলাকার বাসিন্দা আকতারুজ্জামান, মাসুদ রানা, সেলিনা বেগম জানান, প্রায় ১ মাস আগে সাতটি খুটি রাস্তার পাশে হেলে পড়েছে ও বিদ্যুতের তার ছিড়ে রাস্তার ওপর পড়েছে। তারা নিজেদের স্বার্থে বাঁশের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুতের তার দাঁড় করিয়ে রেখেছে, প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটি ব্যবহার করছেন।
পথচারীরা বলছে, যে কোনও সময় পথচারীসহ ভ্যান, রিকশা, মাইক্রোবাস ও ট্রাকের যাত্রীরা বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পড়তে পারে। ১১ মাস আগে নতুন খুঁটি দিয়ে বিদ্যুতের লাইনটি স্থাপন করা হয়।
কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আলী বলেন, ‘লাইনটি মেরামতের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমি অনেক বার নেসকোকে জানিয়েছি। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এসব কারণে লোডসেডিং আরও বেড়ে গেছে।
এ ব্যাপারে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নওশাদ আলমের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘১১ মাস আগে ৩৩ কেবি বিদ্যুতের এ লাইনটি পিডিবি নতুনভাবে সংস্কার করে। আমি শুনেছি বিদ্যুতের সাতটি খুঁটি হেলে পড়েছে। ওখানকার মাটি নরম হওয়ার কারণে খুঁটিগুলো হেলে পড়েছে। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য আমি লাইনটি সংস্কার করে দেওয়ার চেষ্টা করব।’








