ভরত রফতানি মূল্য প্রায় তিনগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার পর, বড়তি দামে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। নতুন দাম কার্যকরের পর শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কোনও ধরনের পেঁয়াজ আমদানি করা হয়নি বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের দাম বড়তে শুরু করেছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
কয়েকদিন আগেও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ছিল প্রতি টন ২৫০ ও ৩০০ মার্কিন ডলার, শনিবার থেকে এর মূল্য টন প্রতি ৮৫২ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে ভারত সরকার। এর আগে ভারতের কাঁচা পণ্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ন্যাপিড এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ভারতীয় রফতানিকারকদের পাশাপাশি হিলি কাস্টমসে পৌঁছে দেয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ব্যাংক বন্ধ থাকায় এলসিগুলো সংশোধন না করার কারণে শনিবার পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ব্যাংক খুললে সংশোধনের পর নতুন এলসি খোলার পরেই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হিলিতে পেঁয়াজ কিনতে আসা খুচরা ব্যবসায়ী সুলতান মাহমুদ ও মাহবুব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কয়েকদিন আগে হিলি স্থলবন্দর থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে ক্রয় করেছি। মাঝে তা বেড়ে ৪০ থেকে ৪২ টাকায় দাঁড়ায়। হঠাৎ করে একদিনের ব্যবধানে সেই পেঁয়াজ এখন ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে আড়তগুলোতে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম ও মোবারক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গত দেড়-দুই মাস ধরে আমরা প্রতিটন পেঁয়াজ ভারত থেকে ২৫০ থেকে ৩০০ মার্কিন ডলারে আমদানি করেছি। এখন প্রতিটন পেঁয়াজের দাম ৮৫২ মার্কিন ডলার। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা হওয়ার কারণে পেঁয়াজের ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। তাই তারা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন বাংলাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে ।
আরও পড়ুন...
পেঁয়াজের রফতানিমূল্য তিন গুণ করেছে ভারত








