হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির পর আবারও দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমতির দিকে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজি প্রতি ৩০ টাকা। কেজিতে ১০ টাকা কমেছে চায়না পেঁয়াজের দামও। পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখতে বাজার ব্যবস্থা মনিটরিংয়ের ওপর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় সরেজমিন হিলি, বাংলাহিলি কাঁচাবাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে আগের দিনের মতোই দেশি ও চায়না পেঁয়াজের সরবরাহ রয়েছে। তবে দাম আগের দিনের তুলনায় কম।
আজ পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে, শনিবার যা ১৫০ টাকা ছিল। আর তিন দিন আগে একই পেঁয়াজ ৮০/৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি দরে। শনিবারও যা বিক্রি হয়েছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে।
অন্যদিকে আমদানিকৃত চায়না পেঁয়াজ শনিবার ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও রবিবার কেজিতে ১০ টাকা কমে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা মনিরা বেগম ও সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, হিলি বাজারে ২/৩ দিন আগেও আমরা যে পেঁয়াজ কিনলাম ১শ‘ টাকা কেজি দরে, হঠাৎ সেই পেঁয়াজ একলাফে শনিবার ১৬০ টাকা হয়ে গেলো। একদিনের ব্যবধানে আজ আবার সেই পেঁয়াজ ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কেন দাম বাড়ছে আর কেনই বা কমছে বুঝতে পারছি না। এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি ছাড়া কিছু নয়।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা মনিরুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ না তোলায় সরবরাহ কিছুটা কমে গিয়েছিল। এ কারণে দাম বেড়েছিল। গত দুদিন আবারও পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। ফলে দাম ফের কিছুটা কমেছে। পেঁয়াজের দামের এমন ওঠানামায় আমরাও বিপাকে আছি।








