পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকালে কিছুটা বেড়েছে। আজ সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার পঞ্চগড়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুই সপ্তাহেরও বেশি কনকনে ঠাণ্ডায় পঞ্চগড়ের মানুষের জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। বিকেল থেকে সকাল ৯-১০টা পর্যন্ত হিম বাতাস, ঘনকুয়াশা ও শীতের দাপটে বিপর্যস্ত মানুষ ও পশু-পাখি। নিম্ন আয়ের মানুষ কাজকর্ম করতে না পেরে পরিবার-পরিজন নিয়ে পড়েছে চরম বিপাকে।
শীত মৌসুমে এসব অসহায় দিনমজু, রিকশাভ্যানচালক, পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষকে শীতবস্ত্রের পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা এবং খাদ্য দ্রব্য দিয়ে সহযোগিতা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন জনপ্রতিনিধিরা।
তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহানহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান লিটন জানান, শীত মৌসুমে পাথর শ্রমিকরা নদী থেকে পাথর উত্তোলন করতে পারেন না। এ সময়টাতে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে থাকেন। শীতবস্ত্রের পাশাপাশি আর্থিক ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থা করলে তারা উপকৃত হতো।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল আলম বলেন, ‘পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিকসহ অসহায় দিনমজুরদের সহায়তার বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। শিগগির এ বিষয়ে চুড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য ২০১৮ সালের এই দিনে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড গড়েছিল তেঁতুলিয়া। এর আগে ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।








