দেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর সভাপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল। তিনি বলেন, ‘আমার নদী, দেশ যদি কেউ দখল করে নিতে চায়; সেখানে কি আমি কথা বলবো না? রুখে দাঁড়াবো না? আমাদের অবশ্যই রুখে দাঁড়াতে হবে।’
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তিস্তার গতিপথ রোধ, বালুদস্যুদের প্রতিরোধ, ভাঙন ঠেকানো, নদী ভাঙনের শিকার ভূমিহীন ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ এবং তিস্তার স্বাভাবিক পানি প্রবাহের দাবিতে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতানা কামাল বলেন, ‘পাঁচ জন দুর্বৃত্ত দেশের যতটা না ক্ষতি করতে পারে, পাঁচশ’ জন ভালো মানুষ চুপ থাকলে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। ভালো মানুষ বেশি হলেও চুপ থাকলে তা কম দুর্বৃত্তের কাছে শূন্য হয়ে যায়। আমরা শূন্য হতে চাই না, দেশকে রক্ষা করতে চাই।’
বাপা সভাপতি আরও বলেন, 'আজ এখানে যারা এসেছেন তারা প্রত্যেকেই সচেতন নাগরিক। সচেতনের ভুলটা হচ্ছে অচেতন। যে নড়ে-চড়ে না, কথা বলে না, কিছু করে না, সেই অচেতন। তার বিপরীতে সচেতন হতে হলে আমাদের নড়তে- চড়তে হবে, কথা বলতে হবে। একসঙ্গে হয়ে দাবি জানাতে হবে।’
তিস্তা নদী রক্ষা সংগ্রাম কমিটি ও বাপার নির্বাহী সদস্য ফরিদুল ইসলাম ফরিদের সভাপতিত্বে এবং অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার রায়ের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন—বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন মন্টু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির, রেল-নৌ-যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভাপতি নাহিদ হাসান নলেজ, থেতরাই ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী সরকার, গুনাইগাছ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ খোকা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল জলিল শেখ, পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রিন ভয়েস জেলা কমিটির সভাপতি রাইসুল ইসলাম নোমান প্রমুখ।








