বাজারে এখনও সেভাবে দেশীয় সজনে ওঠেনি। কিন্তু বাজারে সজনে সব্জির ভালোই চাহিদা রয়েছে। সেই চাহিদা মেটাতে ও মৌসুমের আগেই লাভের আশায় সম্প্রতি হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সজনে আমদানি করা হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সজনে আমদানি শুরু হয়েছে। গড়ে প্রতিদিন এক থেকে দুই ট্রাক (মিনি পিকআপ) করে সজনে আসছে। এ পর্যন্ত ২৬.২৯ টনের মতো সজনে আমদানি হয়েছে। দেশের বাজারে এই সব্জিটি পুরোপুরি উঠতে শুরু করলে ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে।
সজনে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স খান ট্রেডার্সের মালিক ও হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন জানান, এখনও দেশের বাজারে সজনে ওঠেনি। স্বাদ ভালো হওয়ায় বাজারে ভারতীয় সজনের বেশ চাহিদা রয়েছে। তাই আমদানি করা হচ্ছে। প্রতি কেজি সজনেতে বন্দরের মাশুলসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ২৫-৩০ টাকার মতো শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। দেশের বাজারে পাইকারিতে এসব সজনে প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এখন দাম খানিকটা কমে এসেছে। রাজধানী ঢাকাসহ রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ সব্জি সরবরাহ করা হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। এই বন্দর দিয়ে সাধারণত যেসব পণ্য আমদানি হয় তার সঙ্গে সম্প্রতি নতুন করে যুক্ত হয়েছে সজনে আমদানি। কিছুদিন হলো বন্দর দিয়ে সজনে আমদানি হচ্ছে। এপর্যন্ত বন্দর দিয়ে ২৬ টনের মতো সজনে আমদানি হয়েছে। যা থেকে ৪ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব আয় হয়েছে।








