দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে শাহাজুল ইসলাম (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে আপন বড় দুই ভাই ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। পুলিশ এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো উদ্ধার করেছে। তবে এখনও কোনও আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেননি। নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার চৌহান বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের নন্দনপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের পূর্বপাশে পুকুর পাড়ে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শাহাজুল ইসলাম ছোট চেরাগপুর গ্রামের বাবর উদ্দিনের ছেলে।
নিহত শাহাজুল ইসলাম’র স্ত্রী খাদিজা বেগম বলেন, শাহাজুল মাদকের ব্যবসা করতেন। গত কয়েক দিন আগে তার দুই কেজি গাঁজা ও কিছু টাকা চুরি হয়। সেই ঘটনায় ভাতিজা তাজউদ্দিন আহম্মেদকে সন্দেহ করে পিটিয়ে আহত করে শাহাজুল। আহত অবস্থায় কয়েকদিন নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয় সে। পরে বাড়িতে ফিরে এসে হত্যার উদ্দেশ্যে শাহাজুলকে খুঁজতে থাকে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় নন্দনপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের পূর্বপাশে জঙ্গলের মাঝে পুকুর পাড়ে তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তাজউদ্দিন, তাজউদ্দিনের ভাই তারেক এবং শাহাজুলের আপন দুই ভাই আহাদ আলী (তাজউদ্দিন-তারেকের বাবা) ও সেতার আলী। পরে প্রতিবেশীরা তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার চৌহার বলেন, নিহত শাহাজুলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শাহাজুলের বড় ভাই আহাদ আলীর বাড়ি থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি দা, একটি কুড়াল এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি শাবল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত শাহাজুলের বড় ভাই আহাদ আলী, তার দুই ছেলে তারেক ও তাজউদ্দিন এবং চাচা সেতাল আলীর নামে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।








