চলছে ‘সর্বাত্মক’ লকডাউন। মহাসড়কে যাত্রীবাহী যান চলাচল একেবারেই বন্ধ। ছোট-বড় কোনও বাস চলছে না, বন্ধ রেল এবং আকাশপথে যোগাযোগও। চলতে পারে কেবল পণ্যবাহী ট্রাক, আর রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে রংপুর থেকে ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সে ওঠানো হয় উচ্চভাড়ায় গাদাগাদি করে যাত্রী।
বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) নগরীর লালবাগ এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সামনেই তাদের অ্যাম্বুলেন্স ও মাইক্রোবাসে যাত্রী বোঝাই করতে দেখা গেছে। তখন দাযিত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের অ্যাম্বুলেন্সচালককে বাধা দিতে দেখা যায়নি।
সেসময় অ্যাম্বুলেন্সচালককে যাত্রী নেওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে এসেছেন এখন ঢাকায় ফিরে যাবেন। যাওয়ার পথে যাত্রী নিচ্ছেন। এসময় প্রতিজনের জন্য দু হাজার টাকা করে হাঁকছিলেন তিনি। ওই অ্যাম্বুলেন্সে ঠাসাঠাসি করে ৯ জনকে বসে থাকতেও দেখা গেছে। আরও ৩ জন যাত্রী নেওয়ার কথা ছিল তখনও।
করোনা সংক্রমণ দূর করার জন্য লকডাউন দিয়েছে সরকার। এরমধ্যে অ্যাম্বুলেন্সে গাদাগাদি করে উঠেছেন কেন জানতে চাইলে যাত্রীরা বলেন, অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে ঢাকায় যেতেই হবে। তাই আর কোনও পরিবহন না পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সে যাচ্ছেন তারা।
একইভাবে মর্ডান মোড়ে আরও একটি মাইক্রোবাসে ঠাসাঠাসি করে যাত্রী নিতে দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে মাইক্রোবাসের এক ড্রাইভার জানান, রংপুর থেকে ঢাকা পর্যন্ত অন্তত ২৫টি স্থানে পুলিশকে টাকা দিয়ে যেতে হবে। এ কারণে তারাও ভাড়া বেশি নিচ্ছেন
সেসময় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে পরে জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) উত্তম প্রসাদ পাঠক জানান, মোটরযান আইনে ওই মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্স এবং এদের চালকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।








