ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী বহির্গমনসহ বন্দর দিয়ে দু’দেশের পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বাড়াতে দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও বন্দর পরিদর্শন করেছেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, পণ্য আমদানির পাশাপাশি রফতানির ক্ষেত্রে রাস্তা, কোয়ারেন্টাইন অফিসসহ যেসব সমস্যা রয়েছে সেসব বিষয় নিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি হিলি সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। প্রথমে তিনি হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে তিনি স্থলবন্দর ও কাস্টমস কার্যালয় পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে বন্দর, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় একই পথ দিয়ে তিনি পুনরায় ভারতে চলে যান।
তৌফিক হাসান সাংবাদিকদের বলেন, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও স্থলবন্দরের কার্যক্রম কেমন চলছে, বন্দর ও ইমিগ্রেশনের অবকাঠামোসহ কি কি সমস্যা রয়েছে সে বিষয়গুলো নিয়ে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানির পাশাপাশি রফতানির ক্ষেত্রে রাস্তা, কোয়ারেন্টাইন অফিসসহ যেসব সমস্যা রয়েছে সেসব বিষয় নিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হবে।
এ সময় হিলি স্থল শুল্কস্টেশনের উপকমিশনার কামরুল ইসলাম, হাকিমপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শরিফ আল রাজীব, উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন-উর রশীদ, হাকিমপুর থানার ওসি খায়রুল বাশার, ভারতের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি শিপ্রা রায়, বাংলাদেশের হিলি ইমিগ্রেমন চেকপোস্টের ওসি সেকেন্দার আলী, হিলি স্থল শুল্কস্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম নুরুল আলম খান, হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন, ম্যানেজার অশিত স্যানাল, সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।









