ষষ্ঠ দফায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এই দফায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিনটি এবং চিলমারী উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদালতের নির্দেশনা থাকায় চিলমারীর নায়ারহাট ইউনিয়নে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঘোষিত তফসিল সূত্রে জানা গেছে, জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ভূরুঙ্গামারী, পাথরডুবি ও শিলখুড়ি ইউনিয়ন এবং চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ, থানাহাট, রমনা, চিলমারী ও অষ্টমীরচর ইউনিয়নে ষষ্ঠ দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এসব ইউনিয়নে ব্যালট পেপারের পরিবর্তে ইভিএম মেশিনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ৩ জানুয়ারি ২০২২। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ৬ জানুয়ারি এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৩ জানুয়ারি। আগামী ৩১ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে দ্বিতীয় দফার ইউপি নির্বাচনে (১১ নভেম্বর) ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দশ ইউনিয়নের মধ্যে সাতটিতে ব্যালট পেপারে ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের বেশ কিছু অংশ ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীন হওয়ায় ওই ইউনিয়নের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। আদালত স্থানীয় প্রশাসনকে সীমানা চিহ্নিত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। ফলে সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন না হওয়ায় ওই ইউনিয়নের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব বলেন, ‘এর আগে তৃতীয় দফায় নাগেশ্বরীর সন্তোষপুর ইউনিয়নে ইভিএমে নির্বাচন হয়। এখন চরাঞ্চলে ইভিএম মেশিন পরিবহনে কিছুটা সমস্যা থাকলেও আমরা তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। ইভিএমে ভোটগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় জনবলকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা পেলে আমরা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোটগ্রহণ করতে পারবো।’









