দিনাজপুরের হিলি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর। এই বন্দর দিয়ে প্রতিদিন দুই শ’ পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে চার শ’ ভারতীয় মোটরশ্রমিক দেশে প্রবেশ করেন। কিন্তু সীমান্তবর্তী এলাকা হিলিতে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার ও মাস্ক পরার কোনও বালাই নেই। এতে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পাসপোর্টের মাধ্যমে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দু দেশের মাঝে যাত্রীরা যাতায়াত করে থাকেন। এতে দেশের অন্যান্য এলাকার চেয়ে হিলিতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি একটু বেশি। গত বছর উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার নানামুখী পদক্ষেপের কারণে হিলিতে করোনা সংক্রমণের হার কম ছিল। কিন্তু করোনার সংক্রমণের হার কমলে এসব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে হাট-বাজার থেকে শুরু করে সব স্থানেই সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। দোকানগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ মাস্ক পরছেন না।
হিলি বাজারে আসা লোকমান হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের হিলি বাজারে কোনও করোনা নেই। করোনা বলতে কোনও জিনিস এখন পর্যন্ত দেখিনি, এ কারণে মাস্ক পরার কোনও প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি।’
বাজারে আসা উজ্জ্বল হোসেন নামের অপর ব্যক্তি বলেন, ‘যদি দেশে করোনা থাকতো তাহলে প্রত্যেকের মুখে মাস্ক থাকতো। আগে যেভাবে করোনার সংক্রমণের হার ছিল সেই তুলনায় এখন অনেক কম। এজন্য মাস্ক পরিনি।’
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ আলম বলেন, ‘মাস্ক পরা ছাড়া জনসমাগম, বিশেষ করে, বাজারে না যাওয়া, রেস্টুরেন্টগুলোতে অর্ধেক আসনের ব্যবস্থা করা, ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ থেকে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো মানতে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা প্রথমেই চেষ্টা করছি জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বিষয়টিকে প্রতিরোধ করতে। পরবর্তী সময়ে আইনগত ব্যবস্থাসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’









